,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সাতকানিয়ায় গরু চুরির হিড়িক!

cowমোঃ নাজিম উদ্দিন, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে। আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছে গরুর মালিকরা।শুক্রবার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মাষ্টারহাটের উত্তরে শামসু মেম্বারের বাড়ি এলাকায় এক রাতে তিন গৃহস্থলির বাচুরসহ ৭টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল।
কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শামসুল ইসলাম বাবুল জানান, গভীর রাতে সুকৌশলে সংঘবদ্ধ চোরের দল তিন গৃহকর্তার গোয়াল ঘরে ঢুকে ৭টি গরু নিয়ে যায়। চোরের দল আবদুল আওয়ালের গোয়াল ঘর থেকে বাচুরসহ ১টি গাভী, সিরাজুল ইসলামের গোয়াল ঘর থেকে ২টি ও আবদুল শুক্কুরের গোয়াল ঘর থেকে ৩টি গরুসহ মোট ৭টি গরু নিয়ে যায়। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী ৭টি গরুর মূল্য সাড়ে ৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য বিগত কয়েক মাস ধরে সাতকানিয়া উপজেলায় গরু চুরির প্রকোপ বেড়ে গেছে। গত ২৪ মার্চ বৃহষ্পতিবার রাতে উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের নাপিতের চর এলাকায় একই কায়দায় ৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। এভাবে প্রতি রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হানা দিচ্ছে গরু চোরেরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গত ২০০৫ সালে মহামারি আকারে শুরু হয়েছিল গরু চুরি। এ সময় গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার ধর্মপুর চাঁদের পাড়া এলাকায় জনতার হাতে ধরা পড়ে গনপিটুনিতে ৫ রোহিঙ্গা নিহত হওয়ার পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে সাতকানিয়া এলাকায় গরু চুরি বন্ধ হয়ে যায়।  কয়েকদিন থেকে গরু চুরি পুণরায় শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রোহিঙ্গাদের বসবাস বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে চুরি ডাকাতিসহ নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।
সাতকানিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) মোঃ ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন, গৃহস্থলির পশু চুরি হওয়ার ঘটনা আমার জানা নেই, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। থানা এলাকায় চুরিসহ সব অপরাধ বন্ধের জন্য নিয়মিত পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

মতামত...