,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সাতকানিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে জামায়াত ক্যাডার বশর নিহত, ওসিসহ ৮পুলিশ আহত, অস্ত্র উদ্ধার

sমোঃ নাজিম মাহমুদ, দক্ষিণ চট্টগ্রাম, বিডিনিউজ রিভিউজঃ চট্টগ্রামের সাতকনিয়ায় পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জামায়াতের ক্যাডার মো. আবুল বশর (৩৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় থানার ওসি সহ আহত হয়েছেন ৮ জন। ঘটনাস্থল থেকে s1৩টি বন্দুক ও ৩টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর শনিবার গভীর রাতে সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাঁর বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, পুলিশের উপর হামলা ও নাশকতাসহ ২৫টি মামলা রয়েছে। আবুল বশর সাতকনিয়া উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের ৬ ওয়ার্ডের লতাফির বাজার এলাকার মৃত দুদু মিয়ার ছেলে।
পুলিশের দেয়া তথ্যে জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে সাতকানিয়া থানার ওসি মোঃ ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের নেতৃত্বে এসআই মোঃ ফজলুল হক, এসআই মোঃ জুলুস খান পাঠান, এসআই হিরু বিকাশ দে, এসআই প্রিয়লাল ঘোষ, এসআই মোঃ মাহবুবুল আলম, এএসআই আনছারুল হক, এএসআই আব্দুল খালেক ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদে খবর পেয়ে বাঁশখালী থানাধীন ১নং পুকুরিয়া ইউপিস্থ ৩নং ওয়ার্ড গোলাম বারীর বাড়ীর আব্দুল করিমের বসত ঘরে অভিযান চালিয়ে জামায়াত ক্যাডার আবুল বশরকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, বশরের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য ছনখোলা চাইর ঠ্যাইগ্যা বটগাছ এলাকায় সাতকানিয়া-বাঁশখালী রোডের উত্তরে বন বিভাগের সামনে পৌঁছলে বশরের সহযোগীরা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাই করে নেয়ার জন্য পুলিশের উপর এলোপাতাড়ি গুলি করলে পুলিশ ও আত্তরক্ষার্থে গুলি করে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্তলে বশর নিহত হয়। সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয়েছেন সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো,ফরিদ উদ্দিন খন্দকার,উপ-পরিদর্শক ফজলুল হক বাবু, জুলুস খান পাঠান,মাহাবুবুর রহমান,হিরু বিকাশ,সহকারি উপ-পরিদর্শক আনছারুল হক ও কনষ্টেবল মানিক ও কামরুল। ঘটনাস্থল হতে পুলিশ ২টি একনলা বন্দুক,১টি পাইপগান ও ৩টি গুলি উদ্ধার করেছে।
সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের ইসলামীর আমীর আবুল ফয়েজ বলেন, নিহত আবুল বশর ছিলেন জামায়াতের একজন কর্মী। সে অনেকদিন ধরে এলাকায় আসেন না। জেনেছি রাতে পুলিশ বশরকে ধরে এওচিয়ার ছনখোলা এলাকায় নিয়ে গেয়ে গুলি করে হত্যা করে। উপজেলায় গত রাতে পুলিশের সাথে জামায়াতের কোনো কর্মীর সঙ্গে গোলাগুলি হয়নি।
এ ব্যাপারে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফরিদ উদ্দীন খন্দকার বলেন, ৭টি হত্যা, ডাকাতি,চাদাবাজি,পুলিশের উপর হামলা,নাশকতাসহ ২৫টি মামলার জামায়াতের দুর্ধর্ষ ক্যাডার বশর দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। পুলিশ তাকে ধরার জন্য বেশ কয়েক বার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিল। রাতে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে পুকুরিয়া থেকে বশরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ভোরে বশরের দেয়া তথ্যে উপজেলার ছনখোলা এলাকায় পুলিশ বশরকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য অভিযানে গেলে বশরের সহযোগী সন্ত্রাসীদের সাথে পুলিশের সাথে গোলাগুলি হয়। এসময় বশর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বশর মারা যায়। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতামত...