,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সাতকানিয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাঁসি

মোঃ নাজিম উদ্দিন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম,১৭মে, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এবারের মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলায় অন্যান্য বছরের চেয়ে চলতি বছর অনেক আগে বোরো ধান কাঁটা শুরু হয়ে গেছে। মাঠের সমস্ত ধান ক্ষেত সোনালি রং ধারণ করেছে। তার জন্য কৃষকরা খুব খুশি । বোরো রূপন করতে খরচ, বন্যা, আগাছা, সার, কীটনাশক ইত্যাদি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ ছিল কৃষকের সামর্থ্যে মধ্যে। বোরো খেতে পানির সমস্যা না হওয়ায় ও বর্তমান বাজারে ধানের দাম বেশি থাকায় এবং উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখায় কৃষকের মুখে আজ তৃপ্তির হাঁসি ।

সাতকানিয়া উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নে বোরো রূপনের অর্জিত লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ৬৩৫০ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকুল পরিবেশ ভালো থাকার কারনে মাঠের ফলন সবার নজর কাড়ছে।
উপজেলার চরতী, আমিলাইষ, কাঞ্চনা, এওচিয়া, সোনাকানিয়া, মাদার্শা, পশ্চিম ঢেমশা, দক্ষিণ ঢেমশা, কেঁওচিয়া, কালিয়াইশ, ধর্মপুর, বাজালিয়া, ছদাহা ও সাতকানিয়া সদর ইউনিয়ন সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ধানি বিলে শুধু পাঁকা সোনালি ধান আর ধান। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর জমিতে হাইব্রীড, ২৮ নম্বর, ব্রী-৬৪,বিআর-১৬,ব্রী-৩৩,ব্রী-৪৯ ও ব্রী-৫৮ জাতের ধান রূপন করেছেন। অনেক কৃষক উপজেলার মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে সারিবদ্ধ ভাবে ধান রূপন করেছেন। এ কারণেও অনেক কৃষক ছাহিদা মত ফলন আশা করতে পারছেন।
উপজেলার উত্তর ঢেমশা গ্রামের কৃষক সোলাইমান বলেন, অনুকুল আবহাওয়ার কারণে ফলন ভাল হয়েছে। গত মৌসুমের চেয়ে এবার দ্বীগুন ফলন হয়েছে। বাজারে ধানের দামও ভালো পাচ্ছি। এবার আমি ২ একর জমিতে ধান চাষ করেছি। প্রায় ধান মাঠ থেকে উঠে এসেছে। এখন মাড়াইয়ের কাজ চলতেছে। তবে কয়েকদিন ঝড় বৃষ্টির কারণে কিছুটা সমস্যায় পড়েছি।

জনার কেঁওচিয়া গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ আব্দুল করিম জানান, এ বছর মাঠে রোগ বালাই নেই, ফলনও হয়েছে বেশি। ধান রূপন করার সময় মুজুরি খরচ, সার, কীটনাশক, আগাছা পরিস্কার ও ধান কাটা সহ খরচ যাহা হয়েছে উৎপাদিত ধান বিক্রি করে খরচ উঠে আরও লাভবান হবেন। কারণ খেতে সেচের জন্য মাথা ব্যাথা ছিল না প্রাকৃতিক পানিই যথেষ্ট ছিল এবং ধানের বাজার ধর অনেক বেশি।
সাতকানিয়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম জহির জানান, এবারের মৌসুমে লক্ষমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে। যে সমস্ত কৃষক উপজেলার মাঠ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে বোরো ধান রূপন করেছেন তাহাদের ফলন আশা করি চাহিদার চেয়ে আর ও কয়েকগুন বেশি ফলন হবে । ধানের বাজার মূল্য বেশি হওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, আগের চেয়ে বর্তমানে ধানের বাজার দর অনেক বেশি।
সাতকানিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শোয়াইব মাহমুদ বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বোরো খেতের ফলন বেশি এবং উতপাদন খরচ কম হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা খুশি হয়েছে।

মতামত...