,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সাতকানিয়া প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ

মোঃ নাজিম উদ্দিন,দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃচট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতার বিরুদ্ধে দূর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর এ দূর্নীতিসহ নানা অভিযোগ প্রকাশ হলে আমরা সাতকানিয়াবাসী নামের একটি সামাজিক সংগঠন প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব বারাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে প্রকাশ, সাতকানিয়া শিক্ষা কর্মকর্তার স্কুল কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া কোন সন্তান না থাকা সত্ত্বেও এ কর্মকর্তা প্রতিমাসে সরকারী কোষাগার থেকে শিক্ষাসহায়ক ভাতা গ্রহন করেন। শিক্ষা কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রনাধীন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ গঠনে তিনি দূর্নীতির আশ্রয়  নিয়েছেন । এ শিক্ষা কর্মকর্তার দূর্নীতির কারনে সোনকানিয়া বনিকপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো পর্যন্ত এসএমসি গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ বন্ধ রয়েছে। ঘুষের বিনিময়ে উপজেলা প্রশাসনের মাসিক মিটিংয়ের গৃহীত সিদ্ধান্ত (রেজুলেশন) পর্যন্ত পরিবর্তন করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। উত্তর কালিয়াইশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষক অন্যত্র নিয়োগ বদলীর সিদ্ধান্ত তিনি অর্থের বিনিময়ে পরিবর্তন করেছেন  বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি।
শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক ট্রেনিংসহ সরকার ঘোষিত বিভিন্ন ট্রেনিংয়ের ভাতার ভাগ বাটোয়ারা সুযোগ না পেয়ে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাকটর গিয়াস উদ্দিনকে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের ব্যবহার করে  জামায়াত নেতা বানিয়ে অন্যত্র বদলী করেন। যা’ তিনি নিজ মুখে বলে বেড়াচ্ছেন । এ দূর্নীতিবাজ শিক্ষা কর্মকর্তা প্রতি বছর বিপিএড ট্রেনিংয়ে পাঠানোর নামে শিক্ষকদের কাছ থেকেও সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ  রয়েছে। বিপিএড ট্রেনিংয়ের সময় তিনি বিভিন্ন স্কুলে শারীরিকভাবে অসুস্থ কিংবা জৃুনিয়র শিক্ষকদের তালিকা তৈরী করে প্রেষনে ট্রেনিংয়ে পাঠানো প্রস্তাব জেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরন করে সিনিয়র শিক্ষকদের তালিকা থেকে বাদ দেন। পরবর্তীতে শারীরিকভাবে অসুস্থ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে প্রেষণ আদেশ বাতিলের জন্য মোটা অংকের ঘুষ নেয়ার অভি যোগ রয়েছে।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, শিক্ষা কর্মকর্তার একমাত্র ছেলে রনি পাল সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারনে বেশ কয়েকবার জেল খাটেন। লেখা পড়া বন্ধ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়ে দিলেও  শিক্ষা সহায়ক ভাতা গ্রহন করেন।
সাতকানিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাখাল চন্দ্র পাল বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে বলেন, এসব অভিযোগ ঠিক নয়, আমি শিক্ষা সহায়ক ভাতা গ্রহন করি আমার পলিটেকনিক্যাল কলেজে পড়ুয়া সন্তানের জন্য।
সাতকানিয়া উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মো. হামিদ হোসাইন বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে বলেন, শিক্ষার ক্ষেত্রে দূর্নীতি কখনো কাম্য নয়, অথচ সাতকানিয়া শিক্ষা কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে রাতকে দিন করে যাচ্ছেন, এটা দূঃখজনক।

যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্যাহ বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে বলেন, উপজেলা মিটিংয়ের রেজুলেশন পরিবর্তনের বিষয়টি আমার জানা নেই, বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।

বি এন আর/০০১৬/০০৪/০০২/০০০৪৭৩০/ এন ইউ

মতামত...