,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সাবেক মেয়র মনজুর আলম বিএনপি’র রাজনীতিতে ফের সক্রিয়

aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনজুর আলম মনজু আবারও বিএনপি’র রাজনীতিতে ফিরছেন এমনটি ইংগিত দিয়েছেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগরীর উত্তর কাট্টলী বিএনপির যুবদল ছাত্রদলের সিনিয়র নেতারা তার সাথে দেখা করতে সস্প্রতি কাট্টলীস্থ বাসভবনে দেখা করতে গেলে মনজুর আলম মনজু শীঘ্রই বিএনপির রাজনীতিতে ফেরার চিন্তা ভাবনা করছেন বলে জানান।

বৈঠকে বিএনপি ও যুবদল নেতারা মান-অভিমান ভুলে মনজুর আলমকে আবার রাজনীতিতে ফিরে আসার আহবান জানালে প্রতি উত্তরে তিনি রাজনীতিতে আবার ফিরে আসার ইচ্ছার কথা জানিয়ে বলেন- দেখা যাক সামনে দিনে কি হয়। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই, কিছু অধিকার আদায় করে নিতে হয়, ঘরে বসে থাকলে কেউ অধিকার ঘরে এনে দিবে না।

গত রোববার রাতে সাবেক মেয়রের সাথে এই অর্নিধারিত বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মহানগর যুবদল নেতা ও সাবেক নগর ছাত্রদল নেতা সাহেদ আকবর বলেন, আমরা বেশ কয়েকজন বিএনপি যুবদল ও ছাত্রদল নেতা সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসভবনে গিয়ে তার সাথে দেখা করেছি। দেশের রাজনীতি এবং সার্বিক বিষয় নিয়ে উনার সাথে কথা হয়েছে।

এসময় নেতৃবৃন্দ নেতৃবৃন্দ বিগত সময়ের মত দলের পাশে থাকার অনুরোধ জানান, রাজনীতিতে ক্ষোভ দুঃখ নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে, রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষনা প্রত্যাহার করে দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার অনুরোধ জানান। তিনি (মনজুর) দলে সক্রিয় হওয়ার আশ্বাস দিয়ে বলেছেন “দেখা যাক সামনে দিনে কি হয়। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই”।

এব্যাপারে মনজুর আলমের ছেলে মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচাল সরোয়ার আলম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বিএনপি নেতাদের সাথে বৈঠকের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আব্বার সাথে আসলে তাদের কি কথা হয়েছে তা আমি জানি না। তবে আপাততে তিনি ব্যবসা এবং সামাজিক কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। রাজনীতি ফেরার বিষয়টি চিন্তার মধ্যে থাকলেও সহসা হয়তো তেমন কোন লক্ষণ নাই। তবে দেখা যাক, আবার ফিরতেও পারেন। আর এ সিদ্ধান্ত নিলে সাংবাদিকদের জানিয়ে তিনি ফিরবেন।

সুত্র জানায়, চট্টগ্রামে বিএনপির কোন পদ পদবীতে না থাকলেও দলীয় সভানেত্রী উপদেষ্টা হয়েও এ নেতাকে কখনো সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। এনিয়ে চট্টগ্রামের তৃর্ণমূল নেতাকর্মীদের মনে অনেক ক্ষোভ ছিল। তবে খবর নিয়ে জানাগেছে মাঠে ময়দানে মিছিল মিটিংএ না থাকলেও দলের জন্য মনজুর অবদান কম ছিল না।
মহানগর বিএনপির একাধিক নেতা জানান, সরকার বিরোধেী আন্দোলন চলাকালে মনজুর অবদান ছিল। আর্থিক ভাবে তিনি দলীয় নেতা কর্মীদের সহযোগিতা করেছেন। আন্দোলনের জন্য অর্থ দিয়েছেন। এমন কি নগরীর সব কয়টি থানায় বিএনপি যুবদল ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের মামলা পরিচালনার জন্য লাখ লাখ টাকা দিয়েছেন নেতাদের হাতে।

সাবেক মেয়রের সাথে রোরবারের সে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, তার ছেলে মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচাল সরোয়ার আলম সালু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মঞ্জুর আলম, সাবেক ছাত্রনেতা শাহেদ আকবর, কাট্টলী বিএনপির সাধারন সম্পাদক আব্বাস রশিদ, বিএনপি নেতা শওকত আলী বাবুল, আয়ুব খান, মোঃ করিম আমির খান মাইনুদ্দীন হাসান মাইনু কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সদস্য মোঃ সিরাজ উদ্দীন বিএনপি নেতা মোঃ শফিকুল আলম শফি, মোঃ আলাউদ্দীন, য্বুদল সভাপতি মোজাহের আলমসহ উপস্থিত ছিলেন নয়টি ভোট কেন্দ্রের আহবায়ক সদস্য সচিব। প্রতিবছরের ন্যায় বিএনপি নেতৃবৃন্দকে মোস্তফা হাকিম গ্রুপর ইফতার সামগ্রী বিতরনে কাট্টলী বিএনপি নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা চান সাবেক এ মেয়র।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দিন বিএনপির দলীয় প্রার্থী মনজুর আলম মনজুর নজিরবিহীন কারচুপি, কেন্দ্র দখলসহ নানা অভিযোগে সকাল ১০ মধ্যে সংবাদ সম্মেলন নির্বাচন বর্জনের পাশপাশি দলীয় কর্মকান্ড এবং রাজনীতি থেকে বিদায় নেয়ার ঘোষণা দেন।এর পর থেকে তিনি নিজের ব্যবসা বাণিজ্য এবং সামাজিক কর্মকা-ে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন সাবেক এ মেয়র।

মতামত...