,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সারাদেশে ইতিহাসের দায় মোচনের তৃপ্তির উল্লাস

emran h meetingনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে শাহবাগ চত্বরে জড়ো হওয়া গণজাগরণ মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। সারাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে ইতিহাসের দায় মোচনের তৃপ্তির উল্লাস। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের শাস্তি দিয়ে কলঙ্ক মোচনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল দেশ।

ফাঁসি কার্যকরের পরপরই গণজাগরণমঞ্চের পক্ষ থেকে রাজধানীর শাহাবাগ চত্বরে আনন্দ মিছিল করা হয়। এসময় সংগঠনটির পক্ষ থেকে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

এছাড়াও কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকরের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করে মতামত জানাতে থাকেন সাধারণ মানুষ।

চট্টগ্রামের জল্লাদ হিসেবে পরিচিত মীর কাসেম আলী ৭১-এ টেলিগ্রাফ রোডের মহামায়া ভবন দখল করে ডালিম হোটেল নামে আল-বদর টর্চার সেল খোলেন। সেখানেই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের ধরে এনে নির্যাতন করা হতো। ফাঁসির খবর পাওয়ার পর সেখানকার স্থানীয় মানুষের আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়।

এছাড়াও ফাঁসির পর সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং আনন্দ মিছিলের  মাধ্যমে অভিশাপ মুক্তি উদযাপন করে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে, মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে আপিল বিভাগের তার রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেয়। সেদিনই ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি কারা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠিয়ে রায় কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

শেষ সুযোগ হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করার সুযোগ ছিলো তার সামনে। যদিও তিনি নিখোঁজ ছেলের দোহাই দিয়ে বারবার কালক্ষেপণ করছিলেন। শুক্রবারের শেষবারের মতো তাকে আবারও প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা জিজ্ঞাসা করা হয়। কিন্তু তিনি অস্বীকৃতি জানান। এর ফলে তার দণ্ড কার্যকরে কারা কর্তৃপক্ষের সামনে আর কোন বাধা ছিলো না।

মতামত...