,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সারা দেশে অজ্ঞান পার্টির সাথে জড়িত ওষুধ ব্যবসায়ীরা

madicin shopনাছির মীর,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃঢাকা,অজ্ঞান পার্টির সাথে জড়িত ওষুধ ব্যবসায়ীরা! ছিনতাইয়ের তৎপরতা বেড়েছে অজ্ঞান পার্টির।এদের ব্যবহৃত রাসায়নিকে প্রাণ হারাচ্ছে অনেকে। গেল দুই মাসে সারা দেশে প্রাণ হারিয়েছে অনুমানিক ১৫ জন। বৃহস্পতিবার  রাজধানির গুলিস্তান থেকে উদ্ধারের পর ঢামেক হাসপাতালে মারা যান গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা অফতাব উদ্দিন ফরাজী (৬৫)।

 ঢামেক হাসপাতালে দেখা গেছে ভয়ঙ্কর চিত্র। গত ছয় বছরে অজ্ঞানপার্টির শিকার তিন হাজার মানুষ চিকিৎসা নিয়েছে। মিটফোর্ড হাসপাতালে এ সংখ্যা এক হাজার।  আর এ সময়ে এদের হাতে মৃত্যু  হয়েছে ২৮ জনের ।

চট্টগ্রাম মেড়িকেল কলেজ হাসপাতালে সময়ে অজ্ঞান পার্টি আক্রান্ত চিকিথসা নিয়ে ছেন অন্তত ১২২৫জন।

অজ্ঞান পার্টি বা মলম পার্টি ব্যবহার করে মারাত্মক ক্ষতিকর কিছু চেতনানাশক ওষুধ ও রাসায়নিক। এর মধ্যে আমদানি নিষিদ্ধ এটিভেন ট্যাবলেট ও এপিট্রা নামে একটি তরল ওষুধও ব্যবহার করা হচ্ছে।  মিডাজোলাম, নাইট্রাজিপাম, মাইলাম, ডর্মিকাম, মিলানসহ কয়েকটি ঘুমের ট্যাবলেট এবং ক্লোরোফম জাতীয় চেতনানাশকও ব্যবহার করে তারা। এ ছাড়াও  মলম পার্টি বিষাক্ত মলম ও মরিচের গুঁড়া চোখে মেখে বা ছিটিয়ে দেয়।

 এইসব রাসায়নিক বা ওষুধপত্র তাদের হাতে পৌঁছাচ্ছে কীভাবে?

জানা যায়, রাজধানীর মিটফোর্ড, শেরে বাংলা নগর, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, শাহবাগ, গুলিস্তান, মিরপুর ও  চত্কতগেয়ামের হাজারি গলি, পাহাড়তলি, অলংকার,বড়পোল, এপিজেড়, বহদ্দারহাট সহ   কয়েকটি এলাকায় ওষুধের দোকানে এসব দেদারছে বিক্রি হচ্ছে। আবার  অজ্ঞান পার্টির রয়েছে নিজস্ব বিক্রেতা ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ওষুধ প্রশাসনের কোনো নজরদারি নেই।

জানা গেছে, রাজধানীতে ৪০টি  ও চট্টগ্রামে ৩০ গ্রুপে ভাগ হয়ে ৭০০ অজ্ঞান পার্টির সদস্য ছিন্তাইয়ে জড়িত  । গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে প্রায়ই নিষিদ্ধ ওষুধসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার হয়। তবে গ্রেপ্তারদের সূত্র ধরে নিষিদ্ধ ওষুধ উদ্ধার করতে পারছে না গোয়েন্দারা।

চিকিৎসকরা বলছেন, গরম শুরুর আগেই রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা বেড়ে গেছে। সপ্তাহে গড়ে ৫০ জন ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

গোয়েন্দা পুলিশেরা জানায়,  বৃহস্পতিবার দারুস সালাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৪০ এটিভেন ট্যাবলেটসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্য মাহাবুব শিকদার, মিজান সরদার, আনোয়ার হোসেন, জীবন, শাহিন ও মাসুদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। দলটির প্রধান মাহবুব জিজ্ঞাসাবাদে বলেছে, নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এটিভেন পায় তারা।গোয়েন্দারা আশা করছেন এচক্রের সদস্যদের আটক করা শজ হবে।

মতামত...