,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সিইসিসহ ৭জনের বিরুদ্ধে মামলা

CECনিজস্ব প্রতিবেদক,  ঢাকা,০৫, ফেব্রুয়ারি (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম)::নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভা নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে অনিয়মের অভিযোগে পুনঃভোট গণনা চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল ও প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলাটি করেন পরাজিত কাউন্সিলর-প্রার্থী মো. ওবায়দুর রহমান টিটু।

 

মামলায় বিবাদী করা হয়েছে প্রধান নির্বাচন কশিনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, নরসিংদী জেলা প্রশাসক আবু হেনা মোরশেদ রহমান, রিটার্নিং কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, নরসিংদী সদর নির্বাচন কমিশনার নজরুল ইসলাম, প্রিজাইডিং অফিসার মো. জয়নাল আবেদীন, বিজয়ী কাউন্সিলর মো. শেখ ফরিদ ও অন্য পরাজিত প্রার্থী মো. ইসমাইলকে।

 

মামলার বিবরণে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সিইসি দেশের মেয়াদ উত্তীর্ণ পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য তফসিল ঘোষণা করেন।

 

সে মোতাবেক তিনি সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশনার কাছে মাধবদী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে তাকে পানির বোতল প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। মামলার বিবাদী শেখ ফরিদ উট পাখি প্রতীক ও মো. ইসমাইল পাঞ্জাবি প্রতীক বরাদ্দ পান।

 

মামলার বিবাদী শেখ ফরিদ উট পাখি প্রতীক ও মো. ইসমাইলকে পাঞ্জাবি প্রতীক বরাদ্দ পান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে ৩১ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হলে শেখ ফরিদ উট পাখি প্রতীকে পরাজিত হবে বুঝতে পেরে অন্য প্রার্থী মো. ইসমাইল (পাঞ্জাবি প্রতীক) এর যোগসাজসে সন্ত্রাসী লোকজন নিয়ে ভোট কেন্দ্রে হামলা চালায়।

 

পরে রিটার্নিং অফিসার মাধবদী পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করেন। এরই প্রেক্ষিতে বাদী নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পরে স্থগিত পৌরসভায় নির্বাচন কমিশনার পুনরায় (চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি) ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেন।

 

এ নির্বাচনের সময় কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ ফরিদ (উট পাখি) তার লোকজন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে ককটেল, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উট প্রতীকে সিল মারেন।

 

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক তিনি বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন। পরে ভোট কেন্দ্রের পরিস্থিতি শান্ত হলে সাধারণ ভোটাররা পুনরায় ভোট দেন।

 

বিকাল ৪টার পর বাদী মো. ওবায়দুর রহমান টিটুর এজেন্ট আমিনুল ইসলামের সামনে ভোট গণনা হলে তার প্রতীক (পানির বোতল) জয়ী হয়।

 

উট প্রতীকের এজেন্ট বিষয়টি বুঝতে পেরে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিশের যোগসাজসে পানির বোতলের ভোট উট পাখি প্রতীকের বান্ডেলের মধ্যে ঢুকিয়ে তার এজেন্টের কোনো স্বাক্ষর ছাড়াই ১,৪০৪ ভোটে উট পাখি প্রতীক বিজয়ী হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।

 

পানির বোতল প্রতীকে ৮১৫ ভোট প্রাপ্ত ঘোষণা করলেও মোট ২,৯০৭ ভোটের মধ্যে কত ভোট বাতিল হয়েছে এবং তৃতীয়জন কত ভোট প্রাপ্ত হয়েছেন, তা ঘোষণা করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি ১৭ জানুয়ারি রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবেদন জানালেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

 

মতামত...