,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সিডিএর আবাসন প্রকল্প বাতিল,নকশা অনুমোদনের দাবি এলাকাবাসীর

864নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,১০, জানুয়ারি (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম): হাটহাজারীর ফতেয়াবাদে সিডিএর আবাসন প্রকল্প বাতিল ও নকশা অনুমোদন দেয়ার দাবি করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার  ফতেয়াবাদ কলেজের সামনে সিডিএর আবাসন প্রকল্প বাতিল ও নকশা অনুমোদন দেয়ার দাবিতে মিছিল সমাবেশ ও মানববন্ধন  কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘সিডিএর আবাসন প্রকল্পের কারণে হাজার হাজার বাসিন্দা ​তাদের নিজেদের জায়গা জমি​ থেকে উচ্ছেদ হবে। অনেকেই গৃহহারা হয়ে পড়বে। প্রকল্পটির কারণে জমি অধিগ্রহণ হতে পারে। এ জন্য জায়গা–জমির দাম কমে গেছে। ক্রেতাও মিলছে না। এতে জায়গা জমি বিক্রি করে মেয়ে বিয়ে,

চিকিৎ​সা ও হজ করতে চাইলেও পারছে না। প্রকল্পের কারণে নকশা অনুমোদন দেওয়া বন্ধ রেখেছে সিডিএ। এ জন্য মানুষ ঘর বাড়ি নির্মাণ করতে পারছে না। এসব কারণে এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

বক্তারা আশঙ্কা করে বলেন, ‘সিডিএর এই প্রকল্পের কারণে স্থানীয় লোকজন শত বছরের পুরোনো পারিবারিক কবরস্থান ও শ্মশান, বসতবাড়ি হারাতে পারেন। এ জন্য এই প্রকল্প বাতিল করে দিতে হবে। প্রয়োজনে অন্য জায়গায় করুক। প্রকল্প বাতিল করে নকশা অনুমোদনের ব্যবস্থা ​করতে হবে।’

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বসতভিটা রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক দুর্গাপদ নাথ, সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা গাজী ইউসুফ, আবদুল শুক্কুর, মোহাম্মদ আলী, গাজী শরীফ, গাজী নেজাম, গা​জী শফিউল আজিম, আবদুর রহমান, ফজলুর কাদের, জাফর আলম চৌধুরী, জিয়া আমানত নয়ন, মো. শাহজাহান, গাজী আক্কাস, ফিরোজ সিকদার, গাজী তৈয়ব, গোলাম কিবরিয়া,  মাহবুব আলম, ইলিয়াছ আলী প্রমুখ।

সিডিএ জানায়, চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ফতেয়াবাদ এলাকার ৪ হাজার ৭০০ একর জায়গার ওপর একটি উপশহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়া হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী নিজেদের জায়গা–​জমি রক্ষায় ২০০৭ সালে বসত ভিটা রক্ষা কমিটি গঠন করে। কমিটি উচ্ছেদের পরিকল্পনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গত বছরের ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে। কমিটির নেতারা জানান, এই প্রকলল্পর কারণে সিডিএ ২০০৭ সাল থেকে এই এলাকায় ভবনের নকশা অনুমোদন দিচ্ছে না। ​সিডিএর আবাসন প্রকল্প এলাকার দক্ষিণ পাশে রয়েছে চট্টগ্রাম সেনানিবাস, পশ্চিমে পাহাড়ি এলাকা, উত্তরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং পূ​র্ব দিকে চট্টগ্রাম–হাটহাজারী সড়ক।

 

মতামত...