,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সীতাকুন্ডে লোকালয়ে সজারু’র ঠাঁই হল চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়

sjaroকামরুল ইসলাম দুলু, সীতাকুন্ড প্রতিনিধি, বিডিনিউজ রিভিউজঃ খাবারের খোঁজে লোকালয়ে এসে মানুষের হাতে ধরা পড়লো একটি বন্যপ্রাণী সজারু বৃহস্পতিবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলা থেকে মো. ফারুক ও জহিরুল ইসলাম নামে দুই রিক্সাচালক এসে সজারুটিকে চট্টগ্রাম চিড়িয়া খানায় দিয়ে গেছেন।লোকজন সজারুটিকে আটকে রশি দিয়ে বেঁধে পিটিয়ে, শরীরের কাঁটাগুলো তুলে নিয়ে আধমরা করেছে। মানুষের নির্মমতার শিকার হয়ে সজারুটি এখন জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর মো.মঞ্জুর মোর্শেদ সজারুটিকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, সীতাকুণ্ডের জঙ্গলে এখনও সজারু আছে। আমাদের চিড়িয়াখানায় পাঁচটি সজারু আছে, যার প্রত্যেকটিই সীতাকুণ্ড থেকে ধরে আনা হয়েছে। সীতাকুণ্ডে পাহাড়ের নিচে জমিতে খাবারের সংগ্রহে এসে সেগুলো ধরা পড়ে যায়। আজ যেটি পাওয়া গেছে সেটিও খাবারের খোঁজেই এসেছিল। কিছু দুষ্ট লোক সজারুটিকে ধরে আহত করেছে। এখন যদি সেটিকে বাঁচাতে পারি তাহলে আমাদের চিড়িয়াখানায় ছয়টি সজারু হবে।’ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে সজারুটিকে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের বরইতলায় দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন।
স্থানীয় কয়েকজন যুবক সজারুটিকে ধরে নাইলনের রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে। রশি দিয়ে শক্ত করে বাঁধায় সজারুটির ঘাড়ে মারাত্মক জখম দেখা গেছে। সজারুটিকে চিড়িয়াখানায় যারা এনেছে তাদের বরাত দিয়ে মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, রশি দিয়ে বেঁধে সজারুটিকে প্রথমে পেটানো হয়েছে। এতে সজারুটির শক্তি কমে এলে তার শরীরের চার ভাগের তিন ভাগেরও বেশি কাঁটা তুলে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে রশিটি সজারুটির গলায় ফাঁসের মতো করে আটকে যায়। কাঁটা তুলে ফেলায় প্রচুর রক্তক্ষরণ এবং ঘাড়ে ফাঁস লাগার কারণে সজারুটির জীবন সংকটাপন্ন হয়ে গেছে। চিড়িয়াখানায় নেয়ার পর সজারুটির চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এর ক্ষতস্থানে ওষুধ দেয়া হচ্ছে। রাতে সজারুটিকে স্যালাইন দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি কিউরেটর মঞ্জুর মোর্শেদ।

মতামত...