,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সোনিয়া-রাহুলকে আজ হাইকোর্টে তলব

sonia gandhisঢাকা,০৮ ডিসেম্বর (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):: দিল্লি হাইকোর্ট কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টকে মঙ্গলবার ‘যত দ্রুত সম্ভব’ আদালতে হাজির হওয়ার এই নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের এ নির্দেশের বিরুদ্ধে মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে যাবে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস।

সোমবার ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকা সংক্রান্ত মামলায় সোনিয়া গান্ধী এবং তার ছেলে রাহুল গান্ধীকে মঙ্গলবারের মধ্যে আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৯৩৮ সালে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করতে সংবাদপত্রটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় আবেদন হারানো পত্রিকাটি অর্থসংকটে পড়ে বন্ধের উপক্রম হয়।

পত্রিকাটি টিকিয়ে রাখতে কংগ্রেসের নিজস্ব তহবিল থেকে ৯০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়। কর মওকুফ ও সুদমুক্ত সুবিধা নিয়ে ঋণ পাওয়ার পরও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ন্যাশনাল হেরাল্ড। অবশেষ ২০০৮ সালে ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডের কাছে পঞ্চাশ লাখ রূপিতে সেটি বিক্রি করা হয়।

ন্যাশনাল হেরাল্ড ‘দেশের ভাবাবেগের সঙ্গে জড়িত’ উল্লেখ করে তখন প্রতারণা মামলা করেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা সুব্রামনিয়াম স্বামী। মামলায় সোনিয়া-রাহুলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পত্রিকাটির বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ আনেন তিনি। ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডের বেশিরভাগ শেয়ার গান্ধী পরিবারের মালিকানায় রয়েছে।

২০১৪ সালের আগস্টে এ মামলায় সোনিয়া ও রাহুলকে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। নিম্ন আদালতের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে গেলে সোনিয়া-রাহুলের সশরীরে হাজিরার ওপর প্রাথমিক স্থগিতাদেশ পায় কংগ্রেস।

সোমবার হাইকোর্টের ওই প্রাথমিক স্থগিতাদেশ বাতিল করে সোনিয়া, রাহুল, সুমন দুবে, মতিলাল ভোরা, অস্কার ফার্নান্ডেজ, স্যাম পিত্রোদা ও ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। এতে মঙ্গলবার ‘যত দ্রুত সম্ভব’ তাদেরকে আদালতে হাজিরের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া পত্রিকাটিকে দেওয়া ঋণের কর ও সুদ মওকুফের বিষয়েও প্রশ্ন করেছে হাইকোর্ট।

ভারতীয় পার্লামেন্টের শীতকালীন অধিবেশন চলাকালে হাইকোর্টের এ রায়ে তাই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে দেশটির সবচেয়ে প্রাচীন এই রাজনৈতিক দল। কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ অসহিষ্ণুতাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারি দলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অবস্থান দুর্বল করতেই অধিবেশনের মধ্যখানে এ আদেশ ‘দেওয়ানো হয়েছে’। সূত্র: এনডিটিভি

মতামত...