,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

স্কুল্গুলোকে ১০ দিনের মধ্যে বাড়তি টাকা ফেরত দিতে হবে : ডিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ৯ ফেব্রুয়ারী বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিন বলেন, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ম বহির্ভুতভাবে শিক্ষা ফি আদায় করেছে। নীতিমালার বাইরে তিন হাজার টাকার বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই। নিয়ম, নীতিমালা ও আইনের বরখেলাপ করা যাবে না। আগামী ১০ কার্য দিবসের মধ্যে অতিরিক্ত ফি ফেরত দেওয়ার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের অনুরোধ করেন তিনি। অন্যথায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ এমপিও বাতিলের সুপারিশ করা হবে।

বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি আদায় সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিসি মো. সামসুল আরেফিন বলেন, বাড়তি টাকা নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ডাকা ব্রিবতকর। এ সেক্টরে আমরা যদি নীতিমালা অনুসরণ না করি, তা সত্যিই ব্রিবতকর। তিনি বলেন, আমাদের তদারক টিম যাচাই-বাছাই করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ভর্তিতে সর্বসাকূল্যে ৩ হাজার টাকার বেশি টাকা আদায় করা যাবে না। কিন্ত তদন্তে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে। যা কখনো কাম্য নয়। তাই আগামী ১০ কার্য দিবসের মধ্যে তা ফেরত দিতে হবে। অন্যথায় তা এডজাস্ট করে নিতে হবে। পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। অতিরিক্ত টাকা ফেরত না দিলে সেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। এমনকি মন্ত্রণালয়ে ওইসব স্কুলের এমপিও বাতিলের সুপারিশ করা হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. দৌলতুজ্জামান বলেন, ভর্তি নীতিমালায় অনুসারে এক টাকাও বেশি নিতে পারবে না। সেহেতু কোনো প্রতিষ্ঠান এ নীতিমালার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ছাড়পত্রের জন্য কোনো টাকা নেওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতিরজনকের ছবি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি টাঙানো না হলে, সেইসব স্কুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি বলেন, ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বাড়তি টাকার অভিযোগে জেলা প্রশাসনে তালিকা দিয়েছিল। এরমধ্যে চসিক পরিচালিত স্কুলও রয়েছে। এরমধ্যে আবার কারণ দর্শানো প্রতিষ্ঠানের তালিকায় অনেক স্কুলের নাম বাদ পড়েছে। মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এ- কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতিরজনক ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি টাঙানো হয় না। যা সংবিধান পরিপন্থী। তা কখনো মেনে নেওয়া যায় না।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক মো. আজিজ উদ্দিন, শিক্ষাবোর্ডের উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক আবুল মনসুর ভুঁইয়া, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসনে আরা, চসিক এর প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন, ক্যাবের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এস এম নাজির হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল বাহার ছাবেরী, আবদুল মান্নান প্রমুখ।

মতামত...