,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

হত্যা করা হতে পারে জেনেও বিএনপি নির্বাচনে, মির্জা ফখরুল

mizaনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ১২ ডিসেম্বর (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করে প্রমাণ করা হবে যে, বর্তমান শাসক গোষ্ঠী হচ্ছে জনগণের সবচেয়ে প্রিয় রাজনৈতিক দল। আমরা এই নীল নকশা বুঝি। আমরা এও জানি যে, এটাই হবে। আমরা জানি এখানে আপনি নির্বাচন করার জন্য কোনো স্বাধীনতা পাবেন না। পদে পদে বাধা দেয়া হবে, গ্রেপ্তার করা হবে। এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হতে পারে। তারপরও আমরা এই নির্বাচনে আছি। আমাদের সামনে তো আর বিকল্প কোনো পথ নেই।

শনিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘পৌরসভা নির্বাচন ২০১৫ : বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটাই মন্তব্য করেন ফখরুল। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপিপন্থি পেশাজীবী সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)।

দলীয় প্রতীকের এই পৌর নির্বাচনকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগ জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চাইছে। আর এ কারণে তারা বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। এমনটাই মন্তব্য করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পৌর নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য নেতাকর্মীদের হত্যা করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা একটি উদারপন্থি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। আমরা একমাত্র নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরিবর্তন বিশ্বাস করি। সে জন্যই এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে আমরা অবশ্যই থাকতে চাই।’

বিশ্ব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘বিশ্বের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে আমি গণতন্ত্রকে দেখতে চাই। বিশ্ব পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র ডাবল স্ট্যান্ডার্ড।’

ইরাক, সিরিয়া, মিয়ানমার, আফগানিস্তানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে এটাকেও একটা ছুঁতো করে আমাদের জঙ্গিবাদী এবং গণতন্ত্র বিরোধী বলে চিহ্নিত করার জন্য সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। এই কথাটা সকলের মধ্যে পরিষ্কার ধারণা থাকা উচিৎ যে, নির্বাচন ছাড়া আমাদের বিকল্প পথ নেই। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই।’

বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর সরকারি দমন পীড়নের অভিযোগ করে বিএনপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, ‘নির্বাচনে ভরাডুবি ঠেকাতে বিরোধী নেতাদের ওপর দমন পীড়ন অব্যাহত রাখা হয়েছে।’

আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মুস্তাহিদুর রহমান প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জাতীয় সম্প্রচার আইনের খসড়াটি তথ্য মন্ত্রণাণলয়ে জমা দিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-কমিটি। এখন তথ্য মন্ত্রণালয় ও আইন প্রণয়নে গঠিত মূল কমিটি এর উপর কাজ করবে। সম্প্রচার আইনের খসড়া প্রস্তুতের জন্য গঠিত কমিটির আহবায়ক ও সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে আইনটির খসড়া প্রস্তুতের কথা জানা গেছে। খসড়াটি ইংরেজীতে করা হয়েছে। এখন এটির বাংলা অনুবাদের কাজ চলছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, খসড়া আইনে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে, মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের আগে জেল-জরিমানার বিষয়টি নিয়ে মূল কমিটি বিস্তারিত আলোচনা করে ঠিক করবে। এর কারণ হিসেবে সূত্রটি জানায়, সম্প্রচার নীতিমালা করতে গিয়ে সরকারকে গণমাধ্যমের প্রচণ্ড সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে। আইন প্রণয়ণে যাতে তেমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সেদিকে সতর্ক হয়ে কাজ করতে চায় তথ্য মন্ত্রণালয়। আইন প্রণয়ণে খসড়া উপ কমিটির একাধিক সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রস্তাবিত আইনে পাঁচ সদস্যের কমিশন গঠণের কথা বলা হয়েছে। কমিশনের সদস্যরা হাইকোর্টের বিচারক পর্যায়ের সম্মান পাবেন। তাদের নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রচার কমিশন আইন এবং সম্প্রচার আইন এই দুটিকে মিলিয়ে একটি আইন করা হচ্ছে। এর আগে ‘সম্প্রচার আইন’ এবং সম্প্রচার কমিশন আইন’ নামে দুটি আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত ছিল। পরবর্তী সময়ে দুইটি আইন না করে একটি আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়। জানতে চাইলে খসড়া উপ-কমিটির আহবায়ক ব্যারিস্টার তানজীব-উল আলম জানান, ‘আমরা আইনের খসড়া মন্ত্রনালয়ে দিয়ে দিয়েছি। এখন সরকার ঠিক করবে কখন-কিভাবে এটা আইনে পরিণত হবে।’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৪ আগস্ট ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায়। ৭ আগস্ট নীতিমালার গেজেট জারি হয়। এরপর ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম রহমানকে প্রধান করে ৩৮ সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয় তথ্য মন্ত্রণালয়। এতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিশিষ্টজন ছাড়াও এ্যাডভোকেট, বিজ্ঞাপন বিশেষজ্ঞ, নাট্যব্যক্তিত্বসহ সকল ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের রাখা হয়েছে। এই কমিটি থেকে সাতজন সদস্য নিয়ে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি ব্যারিস্টার তানজীব-উল আলমকে প্রধান করে আইনের খসড়া প্রণয়নে উপ-কমিটি করে দেওয়া হয়েছিল। উপ-কমিটি গঠনের প্রায় এক বছরের মাথায় সম্প্রচার আইনের খসড়া জমা পড়ল তথ্য মন্ত্রণালয়ে। জাতীয় সম্প্রচার আইনের খসড়া সম্প্রচার কমিশন গঠনের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। এর বাইরে সম্প্রচার সংক্রান্ত বিষয়ে আইনের অধীনে বিধিমালার মধ্যে বিস্তারিত থাকবে। জানতে চাইলে খসড়া আইন প্রণয়নে গঠিত কমিটির সদস্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার জানান, খসড়াটি ইংরেজিতে করা হয়েছে। এখন বাংলায় রূপান্তর করা হচ্ছে। আমাদের কাজ শেষ, বাকিটা মূল কমিটি করবে।’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম)::  খাবার খাওয়ার পর তা অন্ত্রে রাসায়নিক রূপান্তরের ফলে সৃষ্টি হয় কিছু উপাদান, যা দীর্ঘকাল ধরে শরীরে থাকার জন্য পরিণত হয় বিষাক্ত উপাদানে। তবে এটা দূর করাও সম্ভব।

শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য শরীর বিষমুক্ত রাখা একান্ত প্রয়োজন। নিয়মিত সহজলভ্য কিছু খাবার গ্রহণের মাধ্যমে আমরা আমাদের শরীর থেকে এই বিষাক্ত উপাদানগুলো দূর করতে পারি।

তিতা খাবার
তিতা খাবার আমাদের শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিরতার পানি অথবা করলা কিংবা নিমপাতার রসের জুড়ি নেই।

লেবু
লেবুতে আছে একগুচ্ছ ডিটক্স ডাইট যা টক্সিন নামক বিশেষ প্রকার জৈব, যা বিষ নির্মূলে সহায়তা করে। এছাড়া লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা দাঁত ও ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। তাছাড়া লেবুর ক্ষারীয় প্রভাব আপনার শরীরে অম্লতার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে। প্রতিদিন এক ফালি লেবুর সাথে গরম পানি আপনার শরীর থেকে বিষ নির্মূল করবে।

রসুন
আমরা সবাই জানি হৃৎপিণ্ডের সুস্থতার জন্য সবচেয়ে উপকারী খাদ্য রসুন। এতে রয়েছে এলিসিন নামক রাসায়নিক উপদান যা রক্তে শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদন ও টক্সিন নির্মূলে সাহায্য করে। রস‍ুন কাচা খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।

গ্রিন টি 
শরীর থেকে বিষাক্ত জৈব রাসায়নিক নির্মূলে গ্রিন-টি’র কোনো বিকল্প নেই। তরল এই খাবার আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এটি শুধু চা নয়, একে ওজন কমানোর ঔষুধও বলা চলে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

টাটকা ফল
তাজা ফলে আছে ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার ও কম ক্যালোরি যা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদানগুলো নির্মূলে সাহায্য করে।  সেই সঙ্গে চোখ ও ত্বককে উজ্বল করে এবং হজম শক্তি বাড়ায়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মতামত...