,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

হত-দরিদ্রদের হাতে তুলে দিলেন শীতের সম্বল ‘কম্বল’

আবদুল মান্নান,মানিকছড়ি(খাগড়াছড়ি), ২২ ডিসেম্বর,বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: শীত পাহাড়ে জেঁকে বসেছে। হত-দরিদ্র জনগোষ্টির পরিবারে রাতের ঘুম‘হারাম’! এ যখন বাস্তব অবস্থা। ঠিক সে-সময় মানিকছড়ির ইউএনও‘বিনিতা রানী’মহৎ উদ্যোগ নিয়ে রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাস্তব অবস্থা প্রত্যক্ষ করলেন এবং শীতার্তদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন।
সরজমিন উপজেলার তৃণমূলের অজপাড়া গা ছুদরখীল, তুলাবিল গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আবদুল জব্বার শীতার্ত মানুষের রাতের দূর্ভোগ প্রত্যক্ষ করতে শীতের সম্বল‘কম্বল’ নিয়ে ছুঁটে গেলেন ঘরে ঘরে! উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের ছদুরখীল গ্রামের হেডম্যানপাড়া, তুলাবিলের মোছওয়ালাপাড়ার পরতে পরতে ঘুরে শীতার্ত মানুষের দূর্ভোগ প্রত্যক্ষ করলেন তিনি। এ সময় হত-দরিদ্র ১০ পরিবাওে (বিধবা ও অসহায়) ঘুমন্ত লোকজনকে ডেকে তাদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও বিনিতা রানী! এ যেন পরম পাওয়া। কম্বল পেয়ে খুশিতে আত্মহারা মায়েরা ইউএনও’কে জড়িয়ে ধরলেন। উপজাতি(মারমা)ভাষায় বললেন, জীবনে কোন দিন এভাবে কেউ আমাদের দেখতে আসেনি! অতিথিদের বসতে দিতে পারিনি বলে খারাপ লাগছে। ভগবান তাঁদেরকে বাঁচিয়ে রাখুক। কম্বল প্রাপ্তরা হলেন, উচামং মারমা, নাইউসং মারমা, আপংমা মারমা, উক্রই মারমা, ক্রাইউরী মারমা, আপুমং মারমা, পাইসানু মারমা, পাইউয়া মারমা, উগ্য মারমা,¯œা অং মারমা। এসব দরিদ্র শীতার্ত মানুষের রাতের কষ্ট দেখে ইউএনও বিনিতা রানী দুঃখ প্রকাশ করে বললেন, সরজমিনে না আসলে এসব শীতার্তদের দূর্ভোগ কেউ বুঝবে না। প্রশাসনের পাশাপাশি বৃত্তশালীরা শীতার্থদের পাশে এগিয়ে আসার এখনই সময়। তিনি আরো বলেন, এভাবে তৃণমূলে গিয়ে আরো কিছু কম্বল বিতরণ করা হবে।

মতামত...