,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

হবিগঞ্জে পঞ্চায়েতের বিরোধেই ৪ শিশু হত্যাঃ আদালাতে স্বীকারোক্তি

4 studet merdrনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা , বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম:: হবিগঞ্জের ৪ শিশু হত্যার ব্যাপারে স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্ধী দিয়েছে আসামি রুবেল মিয়া। সে জানায় ৪ শিশু হত্যা কাণ্ডে ৫ জন অংশ নিয়ে ছিল।

শুক্রবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের বিচারিক হাকিম কৌশিক আহমদ খন্দকারের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন রুবেল মিয়া।

হবিগঞ্জের এসপি জয়দেব কুমার ভদ্র রাতে পুলিশ সুপার (এসপি) তার কার্যালয়ে এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফিং এ কথা জানান।

পঞ্চায়াতের বিরোধকে কেন্দ্র করে নেতা আব্দুল আলীর নির্দেশে ছয় জন মিলে চার শিশুকে হত্যা করা হয়েছে বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রুবেল মিয়া নামে এক আসামি। হত্যার পর শিশুদের লাশ বস্তাবন্দি করে সিএনজি চালক বাচ্চুর গ্যারেজে দুই দিন রাখার পর মাটিতে পুতে ফেলে ঘাতকরা।

শুক্রবার বিকেলে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ঘাতক রুবেল মিয়া হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার কৌশিক আহমেদের আদালতে এ জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে রুবেল হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা বর্ণনা করেছেন। হত্যায় অংশ নেয়া ঘাতকরা হলেন- একই গ্রামের আরজু মিয়া, উস্তার মিয়া, হেলাল মিয়া, রুবেল ও শাহেদ মিয়া।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পর রাত সাড়ে ৮টায় নিজ কার্যালয়ে প্রেস বিফ্রিংয়ে পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র জানান, ঘটনার দিন ১২ ফেব্রুয়ারিই বাচ্চু নামে সিএনজি চালক শিশুদের বাড়িতে পৌঁছানোর প্রলোভন দেখিয়ে গাড়িতে ওঠায়। পরে তাদের অজ্ঞান করে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যার পর লাশগুলো বস্তাবন্দি করে বাচ্চুর গ্যারেজে রাখা হয়। পরবর্তীতে ওই ছয় জন মিলে কৌশলে লাশগুলো মাটিতে পুতে রাখে।

পুলিশ সুপার জানান, রুবেলের দেয়া স্বীকারোক্তিকে সামনে রেখে তারা তদন্ত কাজ চালিয়ে যাবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই মামলার তদন্ত কাজ শেষে হবে। শুক্রবার আরও তিন আসামির ১০ করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার রিমান্ডের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘ইতিমধ্যে সিএনজি ও রক্তমাখা জামা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘাতক বাচ্চুকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।’

 

 

বি এন আর / ০০৬০০২০১৯/০০০৯৭/ এন

মতামত...