,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

হাউজিং সেক্টরের অবদান স্বীকৃত: রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার-১৭ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণপূর্তমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক, ৮ ফেব্রুয়ারী বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::  গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ১৪ শতাংশ কর দিয়ে হাউজিং সেক্টরের ব্যবসা করতে হয়। পাশাপাশি সিমেন্ট, রড, টাইলস, গ্লাস সহ ভবন নির্মাণের সকল সামগ্রীর কর-ভ্যাট দিয়ে ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। এরপরও এনবিআর-দুদক এসে বলে ‘এত টাকা পাচ্ছেন কোথায়?

আজ বুধবার ৮ ফেব্রুয়ারি রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর রেডিসন ব্ল‍ু চিটাগাং বেউ ভিউ’র মোহনা হলে ‘রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার ২০১৭’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, পাবলিক সেক্টরে রিহ্যাবের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। কেননা মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব হতো না। দেশে জনসংখ্যা বাড়ছে, জমি তো বাড়ছে না। এখন গ্রামাঞ্চলেও খুব একটা ধানক্ষেত, খালি জমি, বিল দেখা যায় না। সবখানে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে।

আবাসন খাতকে সমৃদ্ধ করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের ৭৫ ভাগ উপজেলায় পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলা হচ্ছে। ছোট ভবন বাদ দিয়ে ২০ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। দেশের সকল মানুষের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও পরিকল্পিত নগরায়নে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতি গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শহরকে সুন্দর নগরীতে পরিণত করতে স্যুয়ারেজ ট্রিটম্যান্ট প্ল্যান্ট করতে হবে। তাহলে দেশ ও নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। আমরা ভবন নির্মাণ করবো, সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি কখন বর্জ্য নিতে আসবে, সে অপেক্ষায় থাকার সময় নেই। তাই ভবন নির্মাণের সময় নিজ ব্যবস্থাপনায় স্যুয়ারেজ ট্রিটম্যান্ট প্ল্যান্ট করার পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। এজন্য স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে আবাসন খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি।

ভোলা-৩ আসনের সাংসদ মো. নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে আবাসন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ২০২১ সালের মধ্যে সরকার দেশের সকল নাগরিকের আবাসন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। উন্নত ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে আবাসন শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন ক্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিকল্পিত ও অপ্রতিরোধ্যভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। গত ৮ বছরে চট্টগ্রামের উন্নয়নে নানামুখী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হয়েছে এবং এখনো উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ চলছে এবং চট্টগ্রামের উন্নয়নে যে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রাম আরও ৫০ বছর এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট মো. আলমগীর সামশুল আল আমিন কাজল স্বাগত বক্তব্যে আগামী বাজেটে ভবন নির্মাণে রেজিস্ট্রেশন খরচ ১৪/১৬ ভাগ থেকে ৭ ভাগ কমিয়ে আনার জন্য অনুরোধ জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম রিজিয়নের আবাসন শিল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা ও পথিকৃত সানমার প্রপার্টিজ লিমিটেড ও ইক্যুইটি প্রপার্টিজ ম্যানেজম্যান্ট (প্রা.) লিমিটেডকে স্বর্ণপদক ও স্মারক উপহার প্রদান করা হয়। এছাড়াও ২০ জন শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের দৈনন্দিন ব্যবহারের সরঞ্জাম প্রদান করা হয়।

মতামত...