,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

১ লাখ টন পিয়াজ আমদানি করছে এস আলম গ্রুপ

নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::বাজারের সংকট মেটাতে তুরস্ক থেকে এক লাখ টন পিয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে এস আলম গ্রুপ। দু-এক দিনের মধ্যেই জরুরি ভিত্তিতে ১০ হাজার টন পিয়াজ আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলা হবেএবং পর্যায়ক্রমে এক লাখ টন পিয়াজ আমদানি করবে এ গ্রুপটি।

এস আলম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. আকতার হাসান বলেন, এস আলম গ্রুপ দেশের মানুষের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে তেল, চিনিসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আমদানি করে দেশের বাজারে সরবরাহ করে থাকে। এর অংশ হিসেবে পিয়াজের সংকট মেটাতে এক লাখ টন পিয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই এ পিয়াজ আমদানির এলসি খোলা হবে।

 জানাগেছে, পিয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কয়েকটি ব্যবসায়ী গ্রুপকে বেসরকারিভাবে পিয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এস আলম গ্রুপকেও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত বাজারের সিন্ডিকেট চক্রকে ভেঙে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এদিকে আরেকটি সূত্র বলছে, বাজারে পিয়াজের কোনো ঘাটতিই নেই।

প্রকাশ, দেশে বছরে ২০ – ২২ লাখ টন পিয়াজের চাহিদা থাকলেও দেশেই উৎপাদন হয় ১০ লাখ টনের্লেকিছু বেশী। ফলে,আমদানি করতে হয় ১০ লাখ টনের মতো। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ৭ লাখ ৯০ হাজার টন পিয়াজ আমদানির এলসি খোলা হয়েছে। এর বিপরীতে নিষ্পত্তি হয়েছে ৭ লাখ ছয় হাজার টনের এলসি। আর দেশে উৎপাদন হয়েছে কমবেশি ১০ লাখ টন।

এ বছর মৌসুমের শুরুতেই নতুন পিয়াজ আসা শুরু করেছে। দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আর আমদানি করা পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭৫ টাকায়। টিসিবি জানায়, এক মাস আগে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পিয়াজের দাম ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, তা বেড়ে হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। গেল বছর এই দাম ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা।

দেশি পিয়াজ বাজারে উঠলে এবং আমদানি করা এসব পিয়াজ দেশে পৌঁছলে খুব শিগগিরই বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছে সরকার।

মতামত...