,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

৬০ লক্ষ নগরবাসীকে প্রতিপক্ষ না করার আহবান সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::সাবেক মেয়র রাজনীতিবিদ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, ৬০ লক্ষ নগরবাসীকে প্রতিপক্ষ না ভেবে সর্বদলীয় মিটিং ডেকে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন। তিনি আরো বলেন, আমি মেয়র থাকা অবস্থায় নগরীর গরীব মানুষের ঘরবাড়িকে করের আওতামুক্ত রেখেছিলাম।

সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধির প্রতিবাদে  শনিবার সকাল ১১ টায় সাবেক মেয়র রাজনীতিবিদ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাসভবনে চট্টগ্রাম গণঅধিকার ফোরামের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা সংগঠনের সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা এম এ হাশেম রাজু সভা সঞ্চালনা করেন। তিনি আরো বলেন, আমার আমলে নগরীর কোনো এলাকা জলাবদ্ধতা ছিল না। শহরের প্রতিটি রাস্তাঘাট চলাচলের উপযোগী ছিল। নগরীর ৩৬টি ছোট–বড় খাল আজ প্রভাবশালীদের দখলে। ফলে একটু বৃষ্টি ও জোয়ার আসলেই নগরবাসীর ব্যবসা–বাণিজ্য, ঘর–বাড়ি, মসজিদ–মাদ্রাসা, স্কুল–কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে–মেয়েদের লেখাপড়া এবং জনগণের চলাফেরায় চরম বিঘœ ঘটে। ব্যবাসায়ীদের শত শত কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়। প্রাচ্যের রাণী হিসেবে খ্যাত নগরবাসীর এই বেহাল অবস্থা দেখভাল করার কোােন অভিবাবক নেই। আজ চট্টগ্রম শহরের জন্য একজন সৎ, দক্ষ, পরিচ্ছন্ন ও মেধাবী রাজনীতিবিদের বড়ই প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, রাজস্ব আয়ের সিংহভাগ এই চট্টগ্রাম থেকেই রাষ্ট্রকে যোগান দিয়ে আসছে। অথচ চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য কোন বরাদ্দ নেই। এই বৈষম্যমূলক আচরণ স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত অব্যহত রয়েছে। চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকায় গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি থাকে না। মান্দাতার আমলের সুয়ারেজ সিস্টেম বাতিল করে ৯৬–এর মাস্টারপ্লান বাস্তবায়ন করতে হবে। হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি করে নগরবাসীকে রাস্তায় নামিয়ে নগরীর উন্নয়ন সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম শহরের উন্নয়ন করতে হলে সরকারকে অবশ্যই আলাদা অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ গণঅধিকার ফোরামের উপদেষ্টা আলহাজ মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, মন্ত্রণালয়ের দোহাই দিয়ে নতুন নিয়মে চট্টগ্রাম নগরবাসীর নিকট থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করা যাবে না। গত দুই বছরে নগরবাসীকে এমন কি সেবা দিয়েছেন যে নতুন করে হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি করতে হবে। জনগণের মনের ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন। কোনো রাজনীতিবিদ ও প্রশাসক একগুঁয়েমি করে জীবনে সফল হতে পারেনি। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফোরামের সহ–সভাপতি মোহাম¥দ খোরশেদ আলম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন, মোহাম্মদ নুরুদ্দীন নুরু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মোহাম¥দ সেলিম, সহকারী সম্পাদক এয়ার মোহাম্মদ, হাফিজুল ইসলাম মজুমদার মিলন, মোহাম্মদ আলমগীর, হাজী আবুল বশর, গাজী সেলিম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ এসএম আব্দুল মাবুদ, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল উদ্দীন সাদ্দাম, রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ জানে আলম, সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দীন, রাশেদ কামাল ও মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।–বিজ্ঞপ্তি বি এন আর, ২২ অক্টোবর ২০১৭।

মতামত...