,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

এসপি বাবুলকে খুনের মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা কেন?

shilpi

সাইফুল ইসলাম শিল্পী

সাইফুল ইসলাম শিল্পী, অতিথি প্রদায়ক, বিডিনিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রামে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যার জন্য ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা চুক্তি হলেও হত্যার পর খুনিরা পেয়েছে মাত্র ২ থেকে ৩ হাজার টাকা করে। আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এ তথ্য জানায় গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম (২৭) ও আনোয়ার হোসেন (২৮)।

রবিবার ২৬ জুন রাতে চট্টগ্রাম সিনিয়র মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হারুন-অর রশিদের আদালতে দুজনের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিতে দুজনই হত্যার দায় স্বীকার করে বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে বলে আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জবানবন্দিতে তারা আদালতকে জানায়, জনৈক মুছার মাধ্যমে মিতুকে হত্যার বিনিময়ে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকার চুক্তিতে খুন করা হলেও খুনের পর পালিয়ে গিয়ে মুছার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা পায় মূল খুনি ওয়াসিম। এছাড়া এই খুনে ঘটনাস্থলে থেকে খুনে সহায়তাকারী সবাই ২ থেকে ৩ হাজার টাকা করে পায়।

aতবে গ্রেফতারকৃতরা মুছার মাধ্যমে ভাড়াটে খুনি হিসেবে ব্যবহৃত হলেও খুনের প্রকৃত নির্দেশ দাতা এবং খুনের কারণ রহস্যের মধ্যেই রয়ে গেছে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও হত্যার রহস্য এবং মূল পরিকল্পনাকারী কে বা কারা তা খোলাশা করছে না পুলিশ।

তবে পুলিশের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির মাধ্যমে আপাতত বাবুল আক্তারকে স্ত্রী হত্যার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে। হত্যার এ আলোচিত ঘটনা অন্য দিকে মোড় নিচ্ছে।

এ ব্যাপারে মিতু খুনের তদন্তকারী সংস্থা চট্টগ্রাম নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না।

BABUL-Akhter-wifeসূত্র মতে, স্বীকারোক্তিতে খুনি ওয়াসিম জানায়, ঘটনার আগের রাতে তারা ৭ জন রাঙ্গামাটির ঠান্ডাছড়ি মধ্যম ঘাঘরা এলাকার কামরুল সিকদার মুছার বাসায় মিটিং করে। সেখানেই মিতুকে হত্যার চূড়ান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। তবে কে এই নির্দেশদাতা তারা এই ব্যাপারে কিছু জানেন না। মুছা এসব বিষয় বিস্তারিত জানে বলে উল্লেখ করে দুই খুনি। মিতুকে হত্যা করতে পারলে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা দেওয়ার লোভ দেখানো হয়। এই সময় একটি রিভলবার ও একটি পিস্তল সরবরাহ করে মুছা। এই দুটি অস্ত্র ওয়াসিম ও আনোয়ার গ্রহণ করে। রাত গভীর হলে ভোলা রাজাখালীর নিজ বাসায় চলে যায়। ঘটনার দিন ভোরে ভোলা রিকশাযোগে নগরীর প্রবর্তক মোড়ে আসে। মুসা ও অন্য একজন মোটরসাইকেলে প্রবর্তক আসে। বাকিরা একটি সিএনজি ফোর স্ট্রোকযোগে প্রবর্তক মোড় আসে। এর আগে নগরীর কালামিয়া বাজার এলাকায় মুসা সিএনজি ভাড়া বাবদ ৫শ’ টাকা দেয় ওয়াসিমদের। এভাবে ভোরে ৭ জন প্রবর্তক মোড়ে এসে জড়ো হয়। এরপর তারা হেঁটে গোলপাহাড় এলাকায় পৌঁছে। ওয়াসিম গোলপাহাড় মন্দিরের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে মিতু বাসা থেকে বের হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করে। আর মুছা মোটরসাইকেল নিয়ে জিইসির মোড়ে অবস্থান নেয়।

নগরীর ওয়েলফুডের সামনে অবস্থান নেয় আনোয়ার। অন্যরাও গোলপাহাড় থেকে জিইসি মোড়ের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়, যেন হামলাকারীরা আক্রান্ত হলে অন্যরা ছুটে আসতে পারে। এরপর মিতু গলি থেকে বের হওয়ার সময় আনোয়ার ও মুছাকে মোবাইল ফোনে কথা বলে মিতুকে শনাক্ত করে দেয়। এরপর মুছা বিপরীত দিক থেকে মোটরসাইকেলে এসে মিতুকে ধাক্কা দেয়। এর পর আনোয়ার মিতুকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এক পর্যায়ে মিতু রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে ওয়াসিম মিতুকে মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মিতুর মৃত্যু নিশ্চিত করে মোটরসাইকেলে তিনজন বাকলিয়ার কালামিয়া বাজারে চলে যায়। সেখানে খুনিরা একত্রিত হলে মুছা মূল খুনি ওয়াসিমকে ৩ হাজার ও অন্যদের দুই হাজার টাকা করে দেয়। এদের মধ্যে একজনকে ৩ লাখ টাকা দেয়ার কথা ছিলো, অন্যদেরকে ২ লাখ টাকা করে দেয়ার কথা থাকলেও ওই টাকা আর দেয়া হয়নি বলে আদালতে স্বীকারোক্তিতে ‘খুনিরা’ জানিয়েছে। স্বীকারোক্তিতে ওয়াসিম জানিয়েছে, কালামিয়া বাজার পৌঁছার পর রিভলবার ও পিস্তল ভোলা তার সাথে করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী জানান, দুই ‘খুনি’ আদালতে মিতু হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। রবিবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ওয়াসিম ও রাত ৮টা থেকে ৯টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত আনোয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। ওয়াসিমের ১৪ পাতা ও আনোয়ারের ১০ পাতা জবানবন্দি রেকর্ড করে আদালত।

যে কারণে ফাঁসানোর চেষ্টা বাবুল আক্তারকে

পুলিশ মূলত এ হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে কোনো ক্লু উদ্ঘটনে ব্যর্থ হয়ে নানা রং দিয়ে ঘটনার একটা পরিসমাপ্তির চেষ্টা করছে। সূত্র মতে, পুলিশ বিভাগে বাবুল আক্তার বিরোধী একটি পক্ষ আগে থেকেই তাকে ঘায়েল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। বাবুল আক্তারের ঘনিষ্ঠজনরা তা জানতেন।

মূলত জঙ্গিবাদের মূল উৎপাটনে তার সাহসী এবং একের পর এক আলোচিত ঘটনা উদ্ঘাটনের কারণে সারাদেশে এক নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন বাবুল আক্তার। সম্প্রতি জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নানা সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি প্রতিকূল পরিস্থিতে কাজ করেছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা। ওইসব অভিযানে বৈরী পরিস্থিতি সম্পর্কে তার টিমের সদস্যরা বুঝেছেন সরেজমিনে সঙ্গে থেকে।

জঙ্গিবিরোধী অভিযানে এ পুলিশ কর্মকর্তাকে নানাভাবে আটকানোর চেষ্টা হয়েছে। সব বাঁধা পেরিয়ে তিনি এগিয়ে গেছেন সামনের দিকে।

এর মধ্যে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর হাটহাজারীর আমানবাজারের আস্তানায় হানা দিয়ে জঙ্গিদের ব্যবহৃত বিশেষ কিছু পোশাকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাবুল আক্তার। ‘উপরের মহলের’ কথা বলে পরে তাকে নিরুৎসাহিত করা হয়। এরপর বেশ ক’দফায় পদক্ষেপ নিয়েও চট্টগ্রামে জঙ্গিবিরোধী কোনো অভিযানই করতে পারেননি তিনি।

আমানবাজারের ঘটনায় নানামুখী চাপের মধ্যেও ওই জঙ্গি আস্তানায় পাওয়া আলামত ও জঙ্গিদের সঙ্গে মোবাইলে কথোপকথনের তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে কিছু ব্যক্তির নামের একটি তালিকা আইজিপিকে দিয়েছিলেন বাবুল আক্তার।

সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আইজিপি তাকে আশ্বস্তও করেছিলেন। কিন্তু এরপর একটি বিশেষ অভিযান হয়েছে জানলেও মূল জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

তবে চট্টগ্রামে এ অভিযান ব্যর্থ হলেও চলতি বছরের শুরু থেকে বাবুল আক্তারেরই দেয়া সূত্র ব্যবহার করে দেশের উত্তরাঞ্চলে একাধিক জঙ্গি ধরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এমনকি শেরপুরে জঙ্গি আস্তানায় বোমা বানাতে গিয়ে নিহত দুই জনের মধ্যে একজনের পরিচয় মিললেও অজ্ঞাতনামা যাকে দাফন করা হয়েছে সেই জঙ্গিই যে জেএমবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান ফারদিন সেটি নিশ্চিত করেন এই বাবুল আক্তারই। কেননা ফারদিনকে বাংলাদেশ পুলিশের আর কোন সদস্য চিনতেন না।

দুই মাস আগে দেশের উত্তরাঞ্চলের এক জেলায় জেএমি সদস্যদের কাছ থেকে উদ্ধার করা একটি চিঠিতেও গত বছরের অক্টোবরে চট্টগ্রামে অভিযানের সময় গ্রেনেড বিস্ফোরণে নিহত জাবেদের ‘হত্যার প্রতিশোধ’ নেয়াকে ঈমানি দায়িত্ব উল্লেখ করেছিল জঙ্গিরা। ওই চিঠিতে চট্টগ্রামে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের হত্যা করার আদেশ দেয়া হয়। পুলিশ সদর দফতর হয়ে ওই চিঠি সিএমপিতে আসলেও কেন নিরাপত্তা দেওয়া হল না হুমকিতে থাকা বাবুল আক্তারের পরিবারকে? এ নিয়ে খোদ পুলিশের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, পদোন্নতি পেয়েও চট্টগ্রামে জঙ্গি দমন এবং চট্টগ্রামের প্রতি বিশেষ ভালবাসার কারণে সিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিসি-উত্তর) পদে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করলেও বাবুল আক্তারকে ঢাকা সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। তিনি নিজ এবং পরিবার নিয়ে সব সময় জঙ্গি আক্রমণের আশঙ্কা করতেন বিভিন্ন সময়।

দেশ ও জাতির স্বার্থে বাবুল আক্তার নিজের এবং পরিবারে জীবন বাজি রেখে একের পর এক অভিযান চালিয়ে আসলেও তার নিজের বিভাগ থেকে একটি পক্ষ তাকে সহযোগিতাতো করেইনি উল্টো তাকে ফাঁসানোর জন্য এ হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে বদলি হয়ে যাওয়া নবগঠিত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দায়িত্বে থাকা (ডিআইজি পদমর্যাদা) বনজ কুমার মজুমদারের ষড়যন্ত্র এবং কূটকৌশলেই এসপি বাবুল আক্তারকে স্ত্রী হত্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশের একটি পক্ষ।

তবে বিডিনিউজ রিভিউজ ডটকমের প্রশ্নের উত্তরে হেসেই উড়িয়ে দেন বনজ কুমার। তিনি বলেন, ‘ভাই আমি কেন তার বিরুদ্ধে (বাবুল আক্তার) ষড়যন্ত্র করবো। আমি এসবে নাই। আর কেউ লিখলেতো আমার করার কিছুই থাকে না। তারাতো আমার সাথে কথা বলে লিখেনি।’

মিতু হত্যার পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি আপনার কাছেই রয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে শীর্ষ এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘তার মোবাইল আমার কাছে থাকবে কেন! এটি হয়তো তদন্তের প্রয়োজনে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে থাকতে পারে।’

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি ভবিষ্যত সম্পর্কে মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না।’

এদিকে আলোচিত পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ড নিয়ে দিন দিন রহস্যের ডানা পাখা মেলছে। এ হত্যাকাণ্ডের কোন ক্লু উদ্ঘাটন না হওয়ায় হত্যাকাণ্ড নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যার মত গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিয়ে প্রশাসনের বিতর্কিত ভূমিকা সাধারণের মনে নানা প্রশ্ন জন্ম দিচ্ছে।

৫ জুন হত্যাকাণ্ডের পরপরই এজন্য জঙ্গি গোষ্ঠীকে দায়ী করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। কিন্তু তদন্তে এর কিছুই পায়নি পুলিশ।

এরপর খুনিদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি চট্টগ্রামে শিবির অধ্যুষিত এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে শিবির জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করে প্রশাসন। সে সূত্রে হাটহাজারী থেকে গ্রেফতার করে আবু কাউসার গুন্নু (৪০) নামে মাজারের এক খাদেমকে । গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, গুন্নু শিবিরের সাবেক নেতা এবং বর্তমানে জঙ্গি তৎপরাতার সঙ্গে জড়িত।

ঘটনার দিন ব্যবহৃত মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে গুন্নুকে শনাক্ত করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় গুন্নু ঘটনাস্থলের আসপাশে অবস্থান করেছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মাজার কর্তৃপক্ষের কড়া প্রতিবাদ এবং মাজার সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে পুলিশকে দিয়ে গুন্নুকে ফাঁসানো খবর পত্রপত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখির কারণে পুলিশ সে অবস্থান থেকে সরে আসে।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সিএমপি কর্তৃপক্ষ নিয়মিত প্রেসব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সর্বশেষ তথ্য জানিয়ে আসলেও তা হঠাৎ করে পুলিশি তদন্তে ভাটা পড়ে। এরই মধ্যে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে আসলেও মিডিয়াকে কোন ধরনের তথ্য সরবরাহ থেকে বিরত রাখে। এমনি সাংবাদিকে এড়িয়ে চলছেন সিএমপির কর্মকর্তারা।

কিন্তু হঠাৎ করে গত শনিবার গভীর রাতে মিতুর স্বামী এবং হত্যা মামলার বাদী এসপি বাবুল আক্তারকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার পর দেশব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ভাড়াটে খুনিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাদী বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এমন দাবি করে পুলিশ।

 

মতামত...